ইরানের প্রশাসনে দীর্ঘ দিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন লারিজানি। প্রয়াত আয়াতোল্লা আলি খামেইনির সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল তাঁর।
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১৫:৪১


(বাঁ দিকে) আলি লারিজানি। ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।
ইরানের রাজনীতিতে কট্টরপন্থী এবং মধ্যপন্থীদের মধ্যে সেতুর কাজ করতেন তিনি। সে দেশের নিরাপত্তার দায়িত্বও সামলেছেন দীর্ঘ দিন। ইজ়রায়েল এবং আমেরিকার হামলার মুখে সুনিপুণ ভাবে সেই দায়িত্ব সামলেছিলেন। সেই আলি লারিজানির মৃত্যুতে ইরানের রাশ এখন সম্পূর্ণ ভাবে চলে গেল কট্টরপন্থী শাসকদের হাতে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, এই পরিস্থিতিতে কি আরও দীর্ঘ হবে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত! কূটনৈতিক পথে যুদ্ধ থামাতে হলে ইরানে কার সঙ্গে কথা বলবে আমেরিকা, রয়েছে সেই প্রশ্নও। কারণ, নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনেই যে আপাতত সেই পথে হাঁটছেন না, তা একপ্রকার স্পষ্ট।