দক্ষিণেশ্বর-বেলুড় থেকে চন্দননগর-ব্যান্ডেল হয়ে মায়াপুর, এক জলপথেই ঘুরে দেখা যাবে বাংলার ঐতিহ্য! অভিনব উদ্যোগ রাজ্যের

Spread the love

GRSE-র তৈরি দু’টি ফেরিতে রয়েছে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি চালিত প্রপালশন ব্যবস্থা। পাশাপাশি সোলার প্যানেল, জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামও রয়েছে।

Written by

 30 Aug 2026 17:02 IST

দক্ষিণেশ্বর-বেলুড় থেকে চন্দননগর-ব্যান্ডেল হয়ে মায়াপুর, এক জলপথেই ঘুরে দেখা যাবে বাংলার ঐতিহ্য! অভিনব উদ্যোগ রাজ্যের

পশ্চিমবঙ্গে নদী পর্যটনকে আরও আকর্ষণীয় ও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে বড় উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। হুগলি নদীকে কেন্দ্র করে ইকো-ফ্রেন্ডলি রিভার ট্যুরিজম গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে Garden Reach Shipbuilders and Engineers (GRSE)-এর কাছ থেকে ১০০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম দু’টি হাইব্রিড-ইলেকট্রিক ফেরি কিনেছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন দফতর। শনিবার GRSE-র একটি অনুষ্ঠানে এই কথা জানান রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ।

শঙ্কর ঘোষ জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব জলপথ পরিবহণের সঙ্গে বাংলার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঔপনিবেশিক ঐতিহ্যকে যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে নদী পর্যটনের বিকাশের ফলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে এবং নদীর তীরবর্তী এলাকার অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছে রাজ্য সরকার।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বহু উন্নত দেশে নদী পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বাংলায় দীর্ঘদিন ধরে এই সম্ভাবনাকে সেভাবে কাজে লাগানো হয়নি। এবার হুগলি নদীকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এই পর্যটন ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

GRSE-র তৈরি দু’টি ফেরিতে রয়েছে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি চালিত প্রপালশন ব্যবস্থা। পাশাপাশি সোলার প্যানেল, জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামও রয়েছে। ভারতীয় রেজিস্টার অফ শিপিং (IRS)-এর অনুমোদনপ্রাপ্ত এই ফেরিগুলিকে পরিবেশবান্ধব নদী পরিবহণ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *